Breaking শান্তির বাঙলায় খুনের সাথে পুলিশের ব্যর্থতাও অব্যাহত - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 4 April 2019

Breaking শান্তির বাঙলায় খুনের সাথে পুলিশের ব্যর্থতাও অব্যাহত


২৪ ঘন্টা কেটে গেলেও পূর্ববর্ধমানের মেমারীতে জোড়া খুনের ঘটনায় কোন কিনারা করতে পারে নি পুলিশ। তবে বুধবার তদন্তের গতি প্রকৃতি সরজমিনে দেখতে মেমারী থানায় উপস্থিত হলেন বর্ধমান রেঞ্জের ডিআইজি তন্ময় রায়চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন জেলাপুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জী এবং বর্ধমান সাউথের এসডিপিও সৌভনিক মুখোপাধ্যায় ও কালনার এসডিপিও।মঙ্গলবার বিকালে এই দুই খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।এই ঘটনায় ভীত ও আতঙ্কিত পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। রক্তাত অবস্থায় বাড়ির ভিতর বিছানার উপর পড়ে ছিল প্রৌঢ়া রীতা রায়ের মৃতদেহ ( ৫২)। বাড়ির ভিতর বিছানায় রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পান মৃতার মা।গোটা বাড়ি ছিল লণ্ডভণ্ড।আলমারী ছিল ভাঙা অবস্থায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঘরে ঢুকে রীতাদেবীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে খুন করে পালিয়েছে দুস্কৃতিরা । রাতে মৃতদেহ উদ্ধার করে মেমারি থানার পুলিশ । বুধবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের হয় বর্ধমান পুলিশ মর্গে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে । বাড়িতে একাই ছিলেন রীতাদেবী । পরিবারের অন্য সদস্যরা বাইরে ছিলেন।রীতাদেবীর মা প্রথম বাড়িতে ঢুকে দেখেন মেয়ে বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। মৃতার মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে যান । তখনও বাড়িতে টিভি চলছিল । অন্যদিকে মেমারির সাতগেছিয়ার সেগুনডাঙ্গা গ্রামে বাড়ির বিছানাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল মমতা কিস্কু (৫০) নামে এক মহিলা।পরিবারের সদস্যরা মমতাদেবীকে উদ্ধার করে স্থানীয় পাহাড়হাটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান। পরিবারের অন্য সদস্যরা কাজে বেরিয়ে গিয়েছিলেন । বিকালে বাড়ি ফিরে স্বামী দেখেন বিছায় উপর তাঁর স্ত্রী মমতাদেবী অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে ।দুটি মৃতদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জী। তিনি টেলিফোনে জানাব তদন্ত চলছে সব দিক খোলা রেখেই।দুটি ঘটনায় কোন যোগ সূত্র আছে কি না। পুলিশ সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে চেন পেঁচিয়ে খুনের সঙ্গে এই দুই ঘটনার কোন মিল নেই বলে তিনি জানান।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad