এশিয়ার সবথেকে বড় শিবলিঙ্গ রয়েছে এখানেই - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 20 April 2019

এশিয়ার সবথেকে বড় শিবলিঙ্গ রয়েছে এখানেই



এশিয়ার সব থেকে বড় দুটটি শিবলিঙ্গ আছে মন্দির দুটিতে এর মধ্যে একটি বড় কালো কষ্টি পাথরে তৈরি প্রায় ১১ ফুট উচ্চতার শিবলিঙ্গ শিব মন্দির দুটি ছাড়াও চৌহদ্দির মধ্যে একটি পতিতপাবনী দুর্গার মন্দির তৈরি হয়েছিল ১৭৮২ সালে এখনও বিশাল ধুমধাম করে পালিত হয় শিবরাত্রি এমনই হল কলকাতার খিদিরপুরের ‘ভূকৈলাস’ রাজবাড়ির শিব মন্দির হিসাবেই পরিচিত  প্রায় ২৫০ বছর আগে ফোর্ট উইলিয়াম থেকে খিদিরপুরে ঘোষাল রাজবাড়ি স্থানান্তরিত হয় রাজা জয়নারায়ণ ঘোষাল এই দুটি মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা গোবিন্দপুর ত্যাগ করে ঘোষালরা খিদিরপুরে বিশাল রাজবাড়ী নির্মাণ করেন জয়নারায়ণ ঘোষাল পঞ্চাশ একর জমির উপর শিবগঙ্গা নামে একটি বিশাল দিঘী খনন করেন ১৭৮১ সালে রাজা জয়নারায়ণ ঘোষালা দিল্লীর সম্রাটের থেকে ‘মহারাজা বাহাদুর’ উপাধি লাভ করেন ওই ১৭৮১ সালেই শিব-গঙ্গা পুকুরের পাড়ে নির্মিত হয় শিব মন্দির দুটি মহারাজের বাবা ও মায়ের নাম অনুসারে নামকরণ করা হয় মন্দির দুটির জয়নারায়ণ নির্মিত মন্দিরগুলি রক্তকমলেশ্বর ও কৃষ্ণচন্দ্রেরশ্বর নামে খ্যাত তৎকালীন মহারাজ জয়নারায়ণ প্রাসাদে অষ্টধাতুর কুলদেবী মা পতিত পাবনী মন্দির নির্মাণ করেন পরে ওই মন্দিরের পাশে আরও চারটি মন্দির স্থাপন করেন সেগুলি মকরবাহিনী গঙ্গা, পঞ্চানন দেব, রাজেশ্বর মহালিঙ্গ ও জয়কালী ভৈরব প্রভৃতিএই সুন্দর মন্দির গুলি হিন্দু মুসলমান ও গ্রীক স্থাপত্যের নিদর্শন স্বরূপ বিরাজ করছে শোনা যায় সাধক রামপ্রসাদ ওই শিব মন্দির দর্শন করতে এসেছিলেন তিনি এত মুগ্ধ হয়েছিলেন যে একশো পঞ্চাশ বিঘার উপর নির্মিত শিবমন্দির ও প্রাসাদের নাম রেখেছিলেন ভূকৈলাস (অর্থ পৃথিবীতে শিবের বাসস্থান কৈলাস) ভূকৈলাসের শিবলিঙ্গ দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ বলেই খ্যাত দুটি মন্দিরের মধ্যে রয়েছে শিব গঙ্গা নামে বিশাল দিঘী ও মন্দিরের সামনে রয়েছে নন্দীর বিরাট মূর্তি প্রতিবছর এখানে ধুমধাম করে শিবরাত্রি পালিত হয়,মেলা বসে খিদিরপুর ট্রাম ডিপোর উল্টোদিকের গলির বেশ কিছুটা ভেতরে অবস্থিত এই রাজবাড়ি বাকুলিয়ার ঘোষাল বংশের রাজা জয়নারায়ণ ঘোষাল ছিলেন যেমন (১৭৫২-১৮২১) শিক্ষিত, তেমনই বিচক্ষণ এবং বহুভাষায় পারদর্শী বাংলা, হিন্দি, পার্সি ও ইংরেজি ভাষা জানতেন তিনি ‘provincial counsel’ নির্বাচিত হয়ে ঢাকা, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান ও পাটনা দেখাশোনার দায়িত্ব পান দিল্লির বাদশাহ জাহাঙ্গীর তাঁকে রাজা উপাধি দেন এবং প্রচুর পরিমাণে অর্থ লাভ করেন ভূকৈলাস রাজবাড়ীর সমস্ত সম্পত্তি এখন পতিতপাবনী মন্দিরের নামে দেবোত্তর করা হয়েছে হিন্দু শাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, ব্রতের আগের দিন ভক্তগণ নিরামিষ আহার করতে হয় রাতে বিছানায় না শুয়ে মাটিতে শুতে হয় ব্রতের দিন উপবাস করতে হয় তারপর রাত্রিবেলা চার প্রহরে শিবলিঙ্গকে দুধ, দই, ঘৃত, মধু ও গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করানো করাতে হয় তারপর বেলপাতা, নীলকন্ঠ ফুল, ধুতুরা, আকন্দ, অপরাজিতা প্রভৃতি ফুল দিয়ে পূজা হয় শিবরাত্রিতে ভারতের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গ অর্থাৎ সোমনাথ, মল্লিকার্জুন, মহাকালেশ্বর, ওঁকারেশ্বর, কেদারনাথ, ভীমশঙ্কর, বিশ্বেশ্বর, ত্র্যয়ম্বকেশ্বর, বৈদ্যনাথ, নাগেশ্বর, রামেশ্বর ও ঘুশ্মেশ্বরে বহু মানুষের সমাগম হয় পুজো দেওয়ার জন্য 



from presscard | প্রেসকার্ড | press card news | http://bit.ly/2Umci68


from newswelle http://bit.ly/2IoIl3T


from DNAবাংলা http://bit.ly/2IGwpK6


from newswelle http://bit.ly/2vcFN00


from presscard | প্রেসকার্ড | press card news | http://bit.ly/2PlNjPh


from newswelle http://bit.ly/2XrwR2R


from presscard | প্রেসকার্ড | press card news | http://bit.ly/2IvN8AC


from newswelle http://bit.ly/2Pmc5yG

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad