
ভোট বড় বালাই।তৃণমূল কর্মীরা বলছেন দিদি বলেছেন জীবে প্রেম করতে।তাই বলে মৃত হনুমানের দেহে তৃণমূলের পতাকা! কোন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী মারা গেলে তার দেহের উপর দলীয় পতাকা দিয়ে তাকে সম্মান দেওয়া হয়। কোন সৈনিক বা জাতীয় নেতা মারা গেলে জাতীয় পতাকা দেওয়া হয় মৃতদেহের উপর।কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের ছোট বেলুন গ্রামে এদিন যা ঘটলো। তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। এযেন সত্য সেলুকাস কি এই বিচিত্র দেশ।রীতিমতো খোল করতাল নিয়ে মরা হনুমানকে কাঁধে নিয়ে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়।তারপর হনুমানটিকে সমাধিস্থ করা হয়।সে কি উৎসাহ!গ্রামে যেন উৎসবের আমেজ।ঘটনা কোন প্রত্যন্ত গ্রামে নয়। পূর্ণ স্বাক্ষর জেলা পূর্ব বর্ধমানের ছোটবেলুন গ্রামে।এদিন গ্রামের মাঠে একটি হনুমান অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা।এরপর গ্রামবাসীরা অসুস্থ হনুমানকে কুরমুন প্রাথমিক পশু হাসপাতালে নিয়ে যায়।তবে হাসপাতাল যাওয়ার পথেই হনুমানটি মারা যায়। হনুমানের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ছোটবেলুন তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে। সেখানে বাঁশ কেটে খাটিয়া করে খোল করতাল বাজিয়ে গ্রাম ঘুরিয়ে সমাধি পরিকল্পনা করা হয়।খবর পেয়ে সব কাজ ফেলে কুড়মুন ১ নম্বর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বলাই বাউরী হাজির হন।পাশাপাশি উপস্থিত হন ছোটবেলুন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব।উপপ্রধান দলীয় পতাকা চাপিয়ে দেন নিথর হনুমানের দেহের উপর এই ভাবে হনুমানকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় দলের পক্ষ থেকে। মানে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। । উপপ্রধান বলাই বাউরি বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের নেত্রী সকল কর্মীদের আদেশ করেছেন জীব সেবায় ব্রতী হতে। তাই দলীয় পতাকা দিয়ে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বোঝ ঠেলা। ছোটবেলুন বাজারেই সমাধি দেওয়া হয়। রামরহিমের দেশ বলে কথা। বিবেকানন্দ জন্মে ছিলেন এই দেশেই। তাই জীব প্রেমের এত ভক্তি।ভক্তি তৃণমূলের।দিদির বাধ্য ভাই বলে কথা।
No comments:
Post a Comment