মিয়া খলিফা এ কি করলেন ? - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 5 April 2019

মিয়া খলিফা এ কি করলেন ?











১৯৯৩ সালে লেবাননের বৈরুতে জন্ম নেয়া খলিফা মাত্র ১০ বছর বয়সে পরিবারের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা শুরু করেন ২০০০ সালে। স্কুল পেরিয়ে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট এল পাসো থেকে ইতিহাস বিষয়ে বিএ ডিগ্রী অর্জন করেন।
২০১৪ সালে স্থানীয় ফাস্ট ফুড রেস্তোরাঁয় কাজ করতে করতে জড়িয়ে পড়েন পর্ন জগতে। গত বছরের ডিসেম্বর ২৮ তারিখে তাকে পর্নহাব তাদের ওয়েবসাইটের বিশ্বের ১ নম্বরের পর্নতারকার খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে নানা রক্ষণশীল প্রথায় জর্জরিত মহিলা সমাজের কাছে এই ঘটনা অবাক করার মতই। অন্তত যে দেশে আইএস-র মতো জঙ্গি গোষ্ঠীর নেতারা মহিলাদের বাজার বসাতেও পিছু পা হন না। ‘দস্যি মেয়ে’ এখানেই থেমে থাকেননি।
সম্প্রতি মিয়া ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে নিজের একটি ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে মিয়ার হাতে আরবি ভাষায় লেখা লেবাননের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম লাইন। স্বাভাবিক ভাবেই মিয়ার উন্নতিতে হৈ চৈ পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। মৌলবাদী সংগঠনগুলো ও বসে নেই সমালোচনা থেকে।
বর্তমানে মিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় থাকেন। কিছুদিন আগে তাকে নিন্দার জাবাবও দিয়েছেন নিজের টুইটারে। সেখানে মিয়া লিখেছেন, ‘আমাকে ছাড়া কি মধ্যপ্রাচ্যে আর কোনও গুরুতর সমস্যা নেই? দেশের একটা প্রেসিডেন্ট খুঁজে পাওয়া গেল?
২১ বছর বয়সী মিয়া খলিফার এই সব মন্তব্য শুনে অনেকেই থমকে গেছেন। ব্যাপারটা মোটেও অস্বাভাবিক নয়, একজন আরব দেশের পর্নস্টার হয়ে ইসলামকে অপমান করবেন তাও পর্ন ভিডিওতে, এর মানে হচ্ছে আপনি আজরাইলকে মিসকল দিচ্ছেন।
সে যাই হোক, পরবর্তীতে ওয়াশিংটন পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্যাপারটাকে স্যাটায়ার হিসেবে নিয়েছেন তিনি, এবং ব্যাপারটা এভাবেই দেখা উচিত!
খলিফা বলেন, এককালে লেবানীজ জাতি নিজেদের মধ্যপ্রাচ্যের সর্বাধুনিক বলে গর্ব করত, তারা পাশ্চাত্য রীতিনীতি এতটাই অনুকরণ করত যে তারা নিজেদের নিয়ে গর্বিত ছিল, আজ তারা আদিম রীতিতে বিশ্বাসিত হয়ে শোষিত হয়ে গেছে। তারা ভুলে গেছে নারী অধিকার!
অতি সম্প্রতি পর্নস্টার মিয়া খলিফার একটি ভিডিও সম্প্রতি ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে। ভিডিওটি আপলোড করার পরই সেটি ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩৭ লক্ষ বার দেখা হয়েছে সেটি। ভিডিওতে নারীদের বড় স্তন থাকার নানা অসুবিধার কথা তুলে ধরেছেন মিয়া খলিফা।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad