ফ্যাশনে এই ভুলগুলো করবেন না প্লিজ. - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 6 April 2019

ফ্যাশনে এই ভুলগুলো করবেন না প্লিজ.

.

নিজেকে নিজের মত পরিপাটি করে সাজানো মানেই ফ্যাশন। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পোশাকের কাটছাঁট, ঋতুর সাথে মিল রেখে পোশাকের রঙ, পোশাকের সাথে মিলিয়ে নানা ধরণের এক্সেসরিজের ব্যবহারসহ আরও অনেক কাজই আনে স্টাইলিশ লুক। কিন্তু স্টাইলের জন্য করা সব কাজই কি ফ্যাশনেবল?  মনের অজান্তেই আমরা এমন কিছু করি যা ঘটিয়ে দেয় ‘ডিজাস্টার’। ফ্যাশন সচেতন হতে চাইলে এড়িয়ে চলতে হবে কিছু ভুল। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কি সেই ভুলগুলো-

কোঁচকানো জামাকাপড়: আপনি হয়তো সবচেয়ে ট্রেন্ডি পোশাক পরেছেন, কিন্তু তা যদি কোঁচকানো হয়, তবে সব মাটি। তাই বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে অবশ্যই দেখে নিন আপনার পোশাক কোঁচকানো কিনা।

অতিরিক্ত মেকআপ: অনেকেই ভাবেন যত বেশি মেকআপ তত বেশি সুন্দরী লগবে। কিন্তু এই ধারণা একেবারেই ভুল। দিনের বেলা হাল্কা মেকআপই ভাল। রাতের জন্য অবশ্য একটু বেশি মেকআপ করতে পারেন। যে রং ব্যবহার করছেন তার দিকেও মনোযোগ দিন। স্কিন টোন অনুযায়ী রং বেছে নিন। আর মুখের রং এক রকম আর হাতের বা গলার রং যেন আলাদা না হয়।

অতিরিক্ত গয়না: অতিরিক্ত মেকআপের যেমন দরকার নেই সেইরকমই বেশি গয়নারও দরকার নেই। যা কিছু আছে তা একসঙ্গে পরা একেবারেই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না! একটা যে কোন ঘরানার অলংকার বেছে নিন। যেমন একটা নেকলেস বা কানে একটা বড় দুল। তাতেই হবে। তবে কোন উপলক্ষ্যে গয়না পরছেন, তাও মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরী।

আনটেলরড প্যান্ট: আপনার ফিগার অনুযায়ী প্যান্ট কিনুন। যারা মোটা তারা ছোট প্যান্ট যতটা পারবেন এড়িয়ে চলুন। সাইজে বড় প্যান্ট ও কিনবেন না। বা লম্বায় বড় প্যান্ট একদম না। অনেকেই ঝুলে লম্বা প্যান্ট কিনে তা গুটিয়ে নিয়ে থাকেন। এই অভ্যাস যত তাড়াতাড়ি পারবেন দূর করুন।

জুতা: আপনার পোশাকের মতই আপনার জুতাজোড়াও অত্যন্ত জরুরী। জুতার ব্যাপারে আমরা প্রায়ই নজর দিই না৷ কিন্তু যদি এমন কোনো জুতো পরে আমরা বাইরে যাই যাতে আমরা খুব একটা কমফর্টেবল নয়, তাহলে পুরো ফ্যাশনটাই যাবে জলে৷

সব কিছু যেন একই রঙের না হয়: অনেকেই মনে করি একই রঙের পোশাক একই রঙের জুতো এবং ব্যাগ নিলে দারুণ দেখাবে। একেবারেই ভুল ধারণা। সব সময় এমন দুটি বা তিনটি রঙ বেছে নিন যা একে অপরকে সহযোগিতা করে। ন্যুড রঙের জুতো বা ব্যাগ নিতে পারেন, যে কোন রঙ বা পোশাকের সঙ্গে ভাল লাগে।

খুব বেশি রিভিলিং পোশাক না: যদি অভ্যস্ত না হন তাহলে লো কাট ব্লাউজ বা মিনি স্কার্ট না পরাই ভাল। লো কাট টপ বা ক্রপ টপ পরতে পারেন জিন্স বা লং স্কার্টের সঙ্গে, তবে ফ্যাশনের চেয়ে স্বস্তি বড়।

নখের যত্ন নিন: হাতের এবং পায়ের নখ যেন পরিষ্কার এবং সঠিক ভাবে কাটা থাকে। আধখাওয়া নখ বা নেইল পলিশ যেন একেবারেই না থাকে।

সঠিক অন্তর্বাস: ফ্যাশনের সব থেকে বড় অন্তরায় অন্তর্বাস। অন্তর্বাস সব সময় সঠিক মাপের পরবেন। ছোট বা বড় সাইজের অন্তর্বাস সবচেয়ে বিব্রতকর। তাই দাম কিছুটা বেশি হলেও সঠিক মাপের অন্তর্বাস কিনুন।

পারফিউম ওভারডোজ: উগ্র সুগন্ধি এড়িয়ে চলুন। সব সময় মনে রাখবেন আপনার পারফিউমের গন্ধ যেন এক হাত দূরের কেউ না পায়। আর অবশ্যই খেয়াল রাখবেন সুগন্ধি লাগানোর পর পোশাকে যেন হলুদ দাগ না লেগে থাকে।

বয়স ভাবুন: বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ৷ কিন্তু অনেকেই মানতে চান না তাদের বয়স বাড়ছে৷ তাই ৪০-এর পর মধ্য কুড়ির ফ্যাশন স্টেটমেন্ট ফলো করে অন্যের হাসির খোরাক হয়েওঠেন তারা৷ এটা করা থেকে আপনি নিজেই কিন্তু নিজেকে আটকাতে পারেন৷

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad