অনেকের মতে নারী বহুরূপী। নারীতে পুরুষের
ফাঁসি। সব
নারী মমতাময়ী হয়না। কিছু
নারী থাকে যে নিজের স্বার্থের জন্য সব কিছু করতে পারে। পুরুষ মনে করে
নারী খুব জটিল প্রাণী। জেনে রাখুন, লোভী
নারীর সংখ্যাই আমাদের সমাজে বেশি। ঘরে-বাইরে দীর্ঘদিনের
ট্রেনিংয়ের ফলেই এই প্রকার নারীর আবির্ভাব।
একটা নির্বোধ টাইপ নারী আছে, যার
কোনও ইগোফিগো নেই। যে নারী কোনও ছকে চলে
না, তাকে নিয়েই যত জ্বালা। সে হাসলে পুরুষ ভেবে
নেয় অনেককিছু। খেতে
দিলে,
শুতে চায়। এই নারী নিতান্ত সরল
টাইপ। এই
টাইপটাকে মানুষ সহজেই ভুল বোঝে। সে যদি ভালো মনে কিছু
করতেও যায়,
খারাপটাই ভেবে নেয় সকলে। মনে করে অন্য
কোনও মতলব আছে তার। কিন্তু
এই দুই প্রকার নারীর বাইরেও আরও একপ্রকার নারী আছে, যে ফ্লার্টিংকে শিল্পের
পর্যায় নিয়ে গেছে। আলাপের প্রথম প্রথম
এমন হাবভাব করে,
যেন ভাজা মাছটা উলটেই খেতে শেখেনি। পৃথিবীর রং, রূপ,
গন্ধ- সবই প্রথম দেখছে। শিহরিত হচ্ছে
পলকে পলকে। সেই
মেকি সারল্যের প্রেমে পড়ে পুরুষ।
তখনই অনেকটা জিতে যায় ছলনাময়ী। ক্রমে সুতো
ছাড়তে শুরু করে। এই
ধরনের নারী কিন্তু খুব ধীরস্থির। হড়বড় করে কথা বলে
না। খুব
মার্জিত চালচলন। মিষ্টি
হাসিটাও ফেক। দীর্ঘ
দিনের হোমওয়ার্ক করে আনা। সাধারণত কমিটমেন্টে
বিশ্বাস করে না। একই
সময় বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পারে। এমন নারী বিশ্বাসের
অযোগ্য হলেও,
সবাই তাকে বিশ্বাস করে নেয়। সে আসে, দেখে,
জয় করে।
কী করে চিনবেন এমন নারীকে, কী করে বুঝবেন তিনি ফ্লার্ট
করছেন আপনার সঙ্গে। জেনে নিন –
১. লজ্জাই নারীর ভূষণ। এই ধরনের নারীরা
আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের
দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে,
যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি
পুরুষের সর্বনাশের কারণ।
২. মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে
বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী
পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে
পারে।
৩. পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর
তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ
সহজেই বিশ্বাস করে নেয়,
নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু
পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ। নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন
করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না।
৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে
গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির
লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।
৫. বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া
কিন্তু একান্তে। অন্য
কাউকে ডাকে না তখন।
৬. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২ টার
সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।
৭. এমন নারীর সঙ্গে কখনওই মদ্যপান করা উচিত নয়। হতেই
পারে অচৈতন্য মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে পরবর্তীকালে সমস্যায় ফেলে দিল।
৮. এই নারী নানা অছিলায় যৌনতাকে নিয়ে আসে আলোচনার মধ্যে। পুরুষকে
যৌনভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। সেই উত্তেজনার বশে পুরুষ
যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেও ফেলে, বিপদ কিন্তু পুরুষেরই। এই
নারী কিন্তু অবলীলায় দোষ চাপিয়ে দিতে পারে পুরুষের ঘাড়ে।
অধিক কামুক মেয়ে চেনার উপায়!
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সিন্ডি মেস্টন এবং ইভোল্যুশনারি
সাইকোলজিস্ট ডেভিড বাস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০০৬ জন মহিলার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন
তাদের যৌন অনুপ্রেরণার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। আর মাত্র ১০০৬
জন নারীর কাছ থেকেই বেরিয়ে এসেছে যৌনতার ২৩৭ টি আলাদা আলাদা কারণ। যদিও
অনেকগুলো কারণের ব্যাপারে প্রায় সবাই একমত, আবার অনেকগুলো কারণ কয়েকজনের
মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তো দেখা যাক, কারণগুলি
কী কী?
গবেষকরা নারীদের যৌন-প্রেরণাগুলিকে তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত
করেছেন- শারীরিক,
আবেগ সংক্রান্ত এবং বস্তুবাদী কারণ। এই ক্যাটাগরির
সাব ক্যাটাগরিতেই রয়েছে,
আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, সেল্ফন স্টিমুলেশন,
প্রেমিককে ধরে রাখা। তেমনই রয়েছে- জোর-জবরদস্তির
শিকার হওয়া পর্যন্ত। এর মধ্যে যেমন রয়েছে
সম্পূর্ণ পরোপকারী উদ্দেশ্য, তেমনই রয়েছে সম্পূর্ণ বদ মতলব। যেমন, কাউকে
ভয়ানক রোগে আক্রান্ত করা।

No comments:
Post a Comment