
বহুদিনের এলাকা ভিত্তিক একটি শিল্প হুগলী জেলার দুই তিনটি শহরের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রন করে অনেকটাই। তাই সেই শিল্পকে মান্যতা দিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কারখানা গুলিকে এক ছাতার তলায় আনার উদ্যেশ্যে সিল্ক হাব তৈরীর সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই মত হুগলীর মাহেশ মৌজায় প্রায় ৫০ একর জমি চিহ্নিত করে স্থানীয় প্রশাসন, ২০১৪ সালের জুন মাসে শিলান্যাস ও করা হয়। ঠিক হয় এক বছরের মধ্যে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতর এই হার গড়বে। যদিও পরবর্তী কালে সেখানে সিল্ক পার্ক তৈরী করবে বলে জানানো হয় শিল্পন্নয়ন নিগমের তরফ থেকে। হুগলী জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে শ্রীরামপুরের পুরপ্রধান বিষয়টি উত্থাপন করলে ফের সিদ্ধান্ত বদল করে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প দফতরের হাতেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও তার পর বহু সময় কেটে গেলেও এখনও কোনো উচ্চবাচ্যই হয়নি সরকারী তরফে। এরই মধ্যে এলাকার কিছু ভাগচাষী,বর্গাদার জমির সঠিক মূল্য চেয়ে আন্দোলনে সামিল হন্। তাদের দাবী এলাকার কিছু মানুষ জমি হস্তান্তর করলেও তারা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবীতে অনর। অন্যের জমিতে চাষ করা এই সব মানুষদের বক্তব্য এই জমিতে দীর্ঘদিন চাষ আবাদ করে এলেও তাদের দিকে নজরই নেই সরকারের। সিল্ক হাবের জন্য জমি চিহ্নিত করতে গেলে পুরপ্রধান সহ সমস্ত কাউন্সিলর দের ঘিরে বিক্ষোভ ও দেখানো হয় তাদের তরফে। শনিবার সকালেও ফের আন্দোলনে র পথে নামেন তারা, হাইকোর্টের নির্দেশ সত্বেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কোনো কাজ করছেনা এই অভিযোগে শ্রীরামপুর বটতলা মোড়ে অবরোধ শুরু করেন এই সমস্থ কৃষকরা। তাদের অভিযোগ এই জমির অধিগ্রহণে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তা সত্বেও এখানে একশ্রেণীর প্রোমোটার রাতারাতি জমি বিক্রি করে দিচ্ছেন। সেখানে তৈরী হয়ে যাচ্ছে বাড়ী। ফলে সিল্কহাব তো দূরঅস্ত, অসাধু প্রোমোটারদের পয়সা রোজগারের যায়গা হয়ে যাচ্ছে এই জমি।
No comments:
Post a Comment