অনুব্রত মণ্ডলের হুমকি, কু-কথা প্রসঙ্গ সন্তর্পণে এড়িয়ে গেলেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 17 March 2019

অনুব্রত মণ্ডলের হুমকি, কু-কথা প্রসঙ্গ সন্তর্পণে এড়িয়ে গেলেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়




দলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের হুমকি, কু-কথা প্রসঙ্গ সন্তর্পণে এড়িয়ে গেলেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। সরাসরি সমর্থন না করলেও অসমর্থনও করেননি। শনিবার বীরভূমের রামপুরহাটে দলীয় কার্যালয়ে বসে কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে বসিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।


 প্রসঙ্গত, গত বছরের ১ নভেম্বর রামপুরহাটে একটি কালি পুজোর উদ্বোধন করতে এসে অনুব্রতর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদায়ী সাংসদ শতাব্দী রায় বলেছিলেন “কুকথা বলে অনুব্রত স্টার হয়ে গিয়েছেন। তিনি এখন ওই ভাষাতেই ব্র্যান্ড। আমরা সামাজিক জীব। আমরা একটা সমাজের প্রতিনিধিত্ব করি। রাজনৈতিক দিক থেকে আরও বেশি মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করা যায়। তাই ভাষা নিজেকে পরিচয় দেওয়ার জায়গা। ভাষা সংযত করা উচিত। অশ্রাব্য বা খারাপ ভাষা গ্রহণযোগ্য নয়। সেই ভাষা সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে না”।


 কখনও পাঁচন, কখনও পাঁচিলে বা ছাদে চরার কথা বলে কর্মী সমর্থকদের উৎসাহিত করেছেন অনুব্রত মণ্ডল। শুক্রবার সিপিএম কর্মীদের চোখ বুজিয়ে দেওয়ার নিদান দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে শতাব্দী রায় বলেন, “ওটা উনার ব্যক্তিগত মতামত। সেই বক্তব্যের তাৎপর্য আছে”।

মিমি, নুসরতের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে শতাব্দী রায় বলেন, “উনারা একটি ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন। এবার রাজনীতিতে এসেছেন। এখানে কাজ করার সুযোগ পেলে নিশ্চয় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন”। সিপিএম প্রার্থী রেজাউল করিম প্রসঙ্গে শতাব্দী বলেন, “উনাকে তো কেউ চেনেন না। আর আমি এখানে দশ বছর ধরে মানুষের সঙ্গে আছি। এলাকার যথেষ্ট উন্নয়ন করেছি। ফলে মানুষ আমাকে চাইবেই। কোন শক্তি আমাদের হারাতে পারবে না”।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad