ভারতের জাতীয় কংগ্রেস থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রে এবং সিপিআইএম ও কংগ্রেসের জোটের হয়ে শেষ বিধানসভা নির্বাচনে রামপুরহাট বিধানসভার প্রার্থী ছিলেন সৈয়দ সিরাজ জিম্মি। দুটি নির্বাচনেই তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বিপুল ভোটে হারতে হয় তাঁকে। এরপর গত কয়েকমাস আগেই কংগ্রেসের জেলা সভাপতির পদও খোয়াতে হয়। তারপরেই জল্পনার শুরু।
চারিদিকে জল্পনা তিনি নাকি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করবেন! মালদার কংগ্রেসের সাংসদ মৌসুম বেনজির নূর তৃনমূলে যোগদানের পর থেকে এমনই খবর রাজনৈতিক মহলে। এনিয়ে শহর জুড়ে জল্পনাও তুঙ্গে। কিন্তু জিম্মি বাবুর কংগ্রেসের হয়ে ভোট প্রচারের সময় শোনা গিয়েছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিষ ভরা নানান মন্তব্য। তৃণমূলের নেতারাও অবশ্য ছেড়ে কথা বলেনি। আর এখানেই জল্পনা স্থানীয়দের মধ্যে।
গত বিধানসভা ভোটের সময় ভোটের প্রচারে এসে রামপুরহাটের একটি জনসভায় বীরভূমের তৃনমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল সৈয়দ সিরাজ জিম্মীকে পচা আলুর সঙ্গেও তুলনা করেন। কটাক্ষ আর কটাক্ষের প্রত্যুত্তর, এই নিয়ে জমে ওঠা দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যখন এক হওয়ার জল্পনায় তখন কোথায় যেন এক্কেবারে ঠান্ডা ঘরে বসে আড্ডায় মজে ওঠার মতোই।
সৈয়দ জিম্মি বাবুর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনা নিয়ে গত ৬ই মার্চ রামপুরহাটের ১নং ব্লকের বুথ সম্মেলনে সাংবাদিকরা তৃণমূল বীরভূম জেলা প্রেসিডেন্ট অনুব্রত মণ্ডলকে প্রশ্ন করেন, “সৈয়দ জিম্মি নাকি তৃণমূলে আসছে? জল্পনা এমনটাই। তা আপনি তো একদিন রামপুরহাটের একটি সভা থেকেই জিম্মিকে পচা আলুর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তা দলে যদি আসতে……”।
আর এমন প্রশ্ন শুনেই বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত বাবুও ঠিক ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে বলেন, “না না না…একটা কথা বলি। জিম্মি যদি আসতে চাই ১০০ বার নিবো। জিম্মি ভালো ছেলে। তখন অন্য বস্তায় ছিল, বস্তাগুলো খারাপ ছিল বলেছিলাম। এখন ভালো বস্তায় আসবে।”
No comments:
Post a Comment