হাড়ে কোনো ধরনের প্রভাব পড়লে তা পুরো শরীরেই খারাপ প্রভাব ফেলে। শরীরের গঠন এবং চলাচল উভয়ই বজায় রাখতে হাড় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে শুরু থেকেই তাদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল না রাখলে বাত, জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা এবং হাড়ের অন্যান্য সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা দ্বিগুণ বেড়ে যায়।
এই রোগগুলি হাড়ের স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে এবং তারা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এজন্য আপনার খাদ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। যেখানে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে এই খাবারগুলিও অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ।
ম্যাগনেসিয়াম খাওয়া শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, হাড় মজবুত রাখতেও সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম পুরো শরীরের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। অনেক গবেষণার মতে, এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে ম্যাগনেসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী রাখে।
একই সময়ে, তারা অস্টিওপরোসিসের মতো গুরুতর হাড়ের রোগের ঝুঁকি কমাতেও সক্ষম। ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের জন্য, আপনি প্রতিদিনের ডায়েটে বাদাম, শস্য, সবুজ মটরশুটি, গোটা শস্য ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
ভিটামিন সি: ভিটামিন সি সাধারণত ত্বককে উজ্জ্বল করার জন্য খাওয়া হয়। ভিটামিন সি সেবন হাড়কেও মজবুত রাখে। প্রতিদিন ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেলে হাড়ের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। এবং আর্থ্রাইটিস এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো মারাত্মক সমস্যা হওয়ার ঝুঁকিও দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই গুণ কমে যায়।
প্রতিদিন ৫০০ থেকে ১০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আপেল, কমলালেবু, আঙ্গুর ইত্যাদি লেবু জাতীয় ফল হাড় সুস্থ রাখতে অনেকাংশে উপকারী হতে পারে।
ভিটামিন ডি : হাড়কে শক্তিশালী রাখতে চাইলে তাহলে ভিটামিন ডি গ্রহণ করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে সহজেই চর্বি দ্রবীভূত হয় যা হাড়কে মজবুত রাখতে সাহায্য করে এবং এর ঘনত্বও উন্নত করে। ভিটামিন ডি এর সর্বোত্তম উৎস সম্পর্কে কথা বললে, এটি প্রাকৃতিকভাবে সূর্যের আলোতে পাওয়া যায়।
তাই সকালের সূর্যের রশ্মি শুধু ত্বককে সুস্থ রাখে না, হাড় মজবুত করতেও সাহায্য করে। এর বাইরে, যদি আপনি ভিটামিন ডি এর অন্যান্য উপকারিতা সম্পর্কে কথা বলেন, তাহলে সয়াবিন, চিনাবাদাম ইত্যাদি খেতে পারেন।
No comments:
Post a Comment