এত এমএলএ তাহলে মুখ্যমন্ত্রী করতে তৃণমূল কেন পারবে না : শুভেন্দু - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 17 July 2021

এত এমএলএ তাহলে মুখ্যমন্ত্রী করতে তৃণমূল কেন পারবে না : শুভেন্দু

 


 প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক : বিজেপি যদি উত্তরাখন্ডে নন-এমএলএ মুখ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে এমএলএ মুখ্যমন্ত্রী করতে পারে তাহলে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কেন পারবে না। তৃণমূলের তো ২১০ থেকে ২১২টা এমএলএ আছে।  তাহলে তাঁদের মধ্যে থেকে একজনকে কেন মুখ্যমন্ত্রী করা যাচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রীর এত চিন্তা কেন।


শুক্রবার বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার কার্যকারিনী বৈঠকে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই প্রশ্নই তুললেন রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের নির্বাচন ও উপ-নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কোভিড পরিস্থিতি এবং ভ্যাক্সিনেশন সম্পূর্ন না হলে নির্বাচন এবং উপ নির্বাচন এই মুহুর্তে করা উচিত নয়। চলতি মাসের ১৫ তারিখে রাজ্য সরকার যে সারকুলার দিয়েছেন তাতে তিনি বলেছেন লোকাল ট্রেন বন্ধ। যারা লোকাল ট্রেন চালাতে পারছেনা তারা ইলেকশন চাইছে? এরপর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু বাবু বলেন, যারা পশ্চিমবঙ্গে শতাধিক পুরসভা ও করপরেশনের ভোট করাতে পারেন নি। এই কোভিড পরিস্থিতিতে নির্বাচন এবং উপ নির্বাচন করা উচিত নয়। লোকাল ট্রেন চলছে না। তার মানে পশ্চিমবাংলায় কোভিড এখন বিদ্দমান। এরপরই শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলে বলেন, যদিও এই বর্তমান পরিস্থিতিতে ফোনাফুনি করে কোভিড পজিটিভের সংখ্যা কমানোর জন্যে রাজ্য সরকারের একটা মনিটরিং সেল কাজ করছে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা মনে করি পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাডু আসাম রাজ্যে নির্বাচনের সময় মাদ্রাজ হাইকোর্ট যে মন্তব্য করেছিলেন সেই অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই কোনও তারাহুড়ো নেই। আগে ভ্যাক্সিনেশ সম্পূর্ন করা দরকার।


বিজেপির বেশ কিছু কর্মীরা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। এই প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আসলে দেখা যাচ্ছে কেউ পুরসভায় কিম্বা অন্য কোথায় কাজ করেন। সেই কর্মীদের কাজ চলে যাবার ভয় দেখানো হচ্ছে। ভয়ে কিছু কর্মী অন্য দলে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু মনটা তাদের বিজেপিতেই থাকছে। সুতরাং আগামী দিনে ভোটের সময় তারা বিজেপির দিকেই থাকবে।


এদিন বিজেপির হুগলী সাংগঠনিক জেলা অফিসে সাংগঠনিক বৈঠকে হাজির ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজ্য নেতা স্বপন পাল, জেলা সভাপতি গৌতম চ্যাটার্জী, জেলার যুব সভাপতি সুরেশ সাউ সহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা। এদিনের বৈঠকে আগামীদিনের কর্মসুচী নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad