নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর দিনাজপুর: বকেয়া পনের টাকা সময়মতো না পেয়ে বিয়ের ৮ মাসের মধ্যে নববধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কালিয়াগঞ্জে। মৃত বধুর নাম পারভিন খাতুন (২১), স্বামী তাহিরুল হুসেন। বাড়ী কালিয়াগঞ্জ শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চিড়াইল পাড়ায়।
রবিবার রাতে এই বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর কালিয়াগঞ্জ থানায় একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে মৃত বধুর স্বামী, শাশুড়ি ও দেওরকে। সোমবার ধৃতদের রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করে পুলিশ। পাশাপাশি এদিন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয় মৃত বধুর। বিয়ের মাত্র ৮ মাসের মধ্যে নববধূর পনের বলি হওয়ার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পরেছে এলাকায়।
কালিয়াগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে মৃত বধুর বাবা মহম্মদ মুস্তফা জানিয়েছেন, গত ১৫ ডিসেম্বর তার মেয়ের বিয়ে হয় তাহিরুল হুসেনের সঙ্গে। সামাজিক ভাবে এই বিয়ের সময় মোহরনামা স্হির হয় তিন লক্ষ টাকা। এর মধ্যে ২.৫ লক্ষ টাকা বিয়ের সময় দেওয়া হয়। বাকি ৫০ হাজার টাকা কয়েকমাস পরে দেওয়ার কথা হয়। বিয়ের পর তার মেয়ে স্বামীর বাড়ীতে ঘরসংসার শুরু করে। মুস্তফাবাবুর অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পর থেকে উক্ত টাকার জন্য তার মেয়ের উপর অত্যাচার শুরু করে শ্বশুর বাড়ীর লোকেরা। তা জানতে পেরে কিছুদিন আগে ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর রবিবার রাত ৮ টা নাগাদ খবর পাই মেয়ে মারা গেছে। সেই খবর শুনে এসে দেখি কালিয়াগঞ্জ হাসপাতালের বেডে মৃত অবস্থায় মেয়ের দেহ পড়ে আছে।

No comments:
Post a Comment