বেঙ্গল কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্রের মৃত্যুর পরে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় কেটে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কে বাংলায় কংগ্রেসের দায়িত্ব নেবেন তা নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের বিকল্প কম থাকলেও কে রাজ্য সভাপতি হবেন তা সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। রাজনৈতিক মহলে তিনটি নাম রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে খবরে রয়েছে, তবে কেউই প্রকাশ্যে বলছেন না যে তারা প্রার্থী।
কার হাতে কমান্ড হস্তান্তর করবেন তা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি (এআইসিসি)। তবে অধীর রঞ্জন চৌধুরী চৌধুরী কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে প্রথম প্রিয়। কারণ, সোমেনের আগে অধীর রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। তবে লোকসভায় কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে এই পদ থেকে সরিয়ে নিয়ে রাজ্য কংগ্রেসের কমান্ড হস্তান্তর নিয়ে অনেক উদ্বেগ রয়েছে। কিছু লোক চায় যে তাকে লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা হওয়ার পাশাপাশি রাজ্য কংগ্রেসের কমান্ডও দেওয়া হোক। যাইহোক, তারপরে এক ব্যক্তি একটি পদ নীতি প্রকাশিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশে কমলনাথের উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে। কারণ, ওই নেতারা বিরোধী দলনেতার পাশাপাশি রাজ্য সভাপতির দায়িত্বও নিচ্ছেন।
এ ছাড়া সিনিয়র নেতা আবদুল মান্নানের নামও আলোচনা হয়। তবে মান্নান বিধানসভায় বিরোধী দলেরও নেতা। এমন পরিস্থিতিতে যদি সেগুলি তৈরি হয় তবে তাও দুটি পদ হবে। এর পরে নামটি আসে প্রদীপ ভট্টাচার্যর। রাজ্য কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণেরও তাঁর পুরানো অভিজ্ঞতা রয়েছে। কারণ, ২০১৪ সালে প্রদীপের জায়গায় অধীরকে রাজ্য সভাপতি করা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে এখন কাকে সভাপতি করা হবে, তার উপর নজর রাখা খুব জরুরি।

No comments:
Post a Comment