বিহারের ১৬ টি জেলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ। হাজার হাজার গ্রাম জলে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন যে বন্যা আক্রান্ত অঞ্চলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া চ্যালেঞ্জের ব্যাপার।এরজন্য লোকেরা এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের কাছে একটি নৌকার অনুরোধ করে।
এ জাতীয় অঞ্চলের রোগীরা যাতে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে সে জন্য রাজ্য সরকার একটি নৌকা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছে। নৌকায় অ্যাম্বুলেন্সে মিলিত সমস্ত সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নৌকা অ্যাম্বুলেন্সটি করোনার রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। চিকিৎসকরা প্রতিটি নৌকা অ্যাম্বুলেন্সেও থাকবেন।
বৈশালী জেলার রাঘোপুরের দিয়ারা অঞ্চলে এমন অনেক গ্রাম রয়েছে যেখানে পিপা সেতুটি খোলার পরে ব্লক সদর দফতরে মানুষের আসার একমাত্র ভরসা নৌকা। এমনাবস্থায় বন্যা প্রবণ ও করোনায় আক্রান্ত রোগীদের নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বৈশালী জেলা প্রশাসন কর্তৃক 'নৌকা অ্যাম্বুলেন্স' ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই নৌকা অ্যাম্বুলেন্সে সমস্ত ধরণের স্বাস্থ্যসেবা সহ একটি চিকিৎসা দল উপস্থিত রয়েছে, যা জরুরী রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা সরবরাহ করবে।
রাঘোপুরের জোনাল অফিসার রানা অক্ষয় প্রতাপ সিংহ বলেছিলেন যে কোভিড -১৯ এর সময় আরও বন্যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন ইতোমধ্যে নৌকাকে অ্যাম্বুলেন্স করার পরিকল্পনা করেছিল। এর আওতায় অনেক গ্রামের মানুষকে স্থানীয় হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য আনা হচ্ছে। তিনি জানান, এই নৌকাটি জেঠুলি ঘাট ও তেতর ঘাটের মধ্যে চালানো হচ্ছে।
নৌকা অ্যাম্বুলেন্সের পিপিই কিটে মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা করা হয়েছে তদন্ত দলের সহকারী একজন চিকিৎসক, সহকারীকেও। এতে স্ট্রেচার, বিছানা, অক্সিজেন সিলিন্ডার, ওষুধ, স্লাইনের সুবিধা রয়েছে। রাঘোপুরের এক চিকিৎসক বলেছেন, নৌকা অ্যাম্বুলেন্সে ডাক্তার ও মেডিকেল টিমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

No comments:
Post a Comment