সেই সময় মাটি খোঁড়ার খবর ছড়িয়ে পরতেই গ্রামের মানুষ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে প্রশাসনের কাজে বাধা দিতে শুরু করে । ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও বিক্ষোভ অবরোধ আরামবাগে। ব্যাপক উত্তেজনা থাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও প্রশাসনের কর্তারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলে সেই মৃতদেহ গুলিকে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হবে নদীর বাধ এলাকায় । মঙ্গলবার সকালে প্রশাসনের তরফ থেকে দারকেশ্বর নদীর পাড়ে চলছিল তারই প্রস্তুতি। ওই সময় এলাকার বাসিন্দারা দল বেধে হাজির হয়। আরামবাগ তারকেশ্বর রোডের পল্লীশ্রী মোড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক ঘন্টা ধরে পথ অবরোধ করে রাখে। পাশাপাশি পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারা । তাদের দাবী, এই নদীর জলেই আমাদের চাষ করতে হয়, এই নদীর জলে কাপড় কাচা থেকে আরম্ভ করে, স্নান করা সবই করতে হয়। ফলে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদেহগুলি এখানে পুড়িয়ে দিলে তার কাঠকয়লা, জামা-কাপড় তা সবই এই নদীর জলে পরবে এমনকি পোড়ানার সময় দুর্গন্ধ ছড়াবে। তাতে ছোট থেকে বড় সবাই করোনায় আক্রান্ত হতে পারে । এই নিয়ে গ্রামবাসীরা প্রশাসনের কাজে বাধা দেয়। পুলিশের সাথে বচসা শুরু হতেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন আরও পুলিশ বাহিনী এবং ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন তারা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানা যায়, আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার কাজ চলছিল। এলাকাবাসীরা বাধা দেওয়ার ফলে মাটি খোঁড়ার কাজ বন্ধ হয়ে যায় বলেও জানা গেছে। তবে কিছু ক্ষনের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও বেশ কিছু সময় পর পুলিশের সঙ্গে খণ্ড যুদ্ধ বাঁধে এলাকাবাসীদের। পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে গ্রামবাসীরা। ভাংচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। এই ঘটনায় ১১ জন মহিলা সহ মোট ১২ জনকে আটক করে আরামবাগ থানার পুলিশ।

No comments:
Post a Comment