মানুষ আস্থার জেরেই বাঁচে, অতনু ঘোষ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 6 October 2019

মানুষ আস্থার জেরেই বাঁচে, অতনু ঘোষ




প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ;   শুটিংয়ের মাঝেই অনেক অন্তরঙ্গ কথা শোনালেন পরিচালক অতনু ঘোষ। তার সঙ্গে কথা বললেন তন্ময় দত্তগুপ্ত।  আপনার ছবির নামকরণের মধ্যে একটা সাহিত্যের আস্বাদ রয়েছে।যেমন ‘একফালি রোদ’,’রূপকথা নয়’,’বিনিসূতোয়’, ‘রবিবার’। কোথাও কি সাহিত্যের সংযোগ কাজ করে?  অতনু ঘোষঃ সাহিত্যের সংযোগ কাজ করে কিনা বলতে পারব না। তবে সিনেমার নামটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি চেষ্টা করি অনেকগুলো স্তরের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার। বিভিন্ন স্তরের মধ্যে দিয়ে একটা গল্প বলতে হয়। তাই নামের একটা ভূমিকা আছে। ছবি দেখার সময় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত নামের ইন্টারপ্রিটেশন বদলাতে থাকে। ছবির নাম দেখে একটা ধারণা তৈরী হয়। এটা ঠিক যে নাম নিয়ে সত্যি আমি ভাবি। 



আপানার সাম্প্রতিক ছবির নাম ‘বিনিসুতোয়’। এরকম নাম রাখার কারণ কী?  অতনু ঘোষঃ আমাদের সব কিছুতেই একটা বন্ধন থাকে। এবং এই বন্ধনের সঙ্গে সুতোর একটা সংযোগ আছে। এই বন্ধন থেকে মুক্তির প্রয়াস মানুষের থাকে। বিভিন্ন অপ্রাপ্তি অপূর্ণতা থেকেও মুক্তির চেষ্টা চলে। এই বন্ধন মুক্তির ক্ষেত্রে আমাদের সুতোগুলো আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখে। এই সুতোগুলোকে ছিঁড়ে বা ছাড়িয়ে বেরিয়ে যাওয়ার গল্পই বিনিসুতোয় দেখানো হয়েছে। এছাড়াও আরও অনেকস্তর আছে।  আপনার পরিচালিত ছবি ‘ময়ূরাক্ষী’-তে বাবা এবং ছেলের সম্পর্কের একটা ভূমিকা ছিল। ছেলে আর্যনীলবাস্তব থেকে কিছুটা মুখ ফিরিয়ে নিল। একটা বন্ধন মুক্তির প্রসঙ্গ সেখানেও ছিল। তাই নয় কি? 



অতনু ঘোষঃ এখানে দুটো বিষয় আছে। বাস্তব থেকে মুখ ফেরানোর বিষয় সেই অর্থে ‘ময়ূরাক্ষী’ এবং ‘বিনিসূতোয়’ নেই।কঠিন পরিস্থিতি থেকে সম্পূর্ণ মুখ ফেরানোর গল্পে আমি আগ্রহী নই।অনেক পরিস্থিতি মানুষের নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। মানুষ অতোটা শক্তিশালী নয়। অনেক সময়ই দেখা যায় কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ব্যাপারে মানুষের ক্ষমতা অনেকটাই কম। চরম সংকটের মুহূর্তে মানুষ অন্য একটা রাস্তা খোঁজার চেষ্টা করে। সেই রাস্তার মধ্যেই সে বাঁচে। বা বাঁচার চেষ্টা করে।ময়ূরাক্ষীর আর্যনীল(প্রসেনজিত চ্যাটার্জী)-ও তাই। তার বাবার যে মানসিক সমস্যা; সেটা ডিমেনসিয়া। সেটাএকটা গ্লোবাল সমস্যা।

pb

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad