প্রকৃতির গুপ্তধনে সমৃদ্ধ নদী - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 25 October 2019

প্রকৃতির গুপ্তধনে সমৃদ্ধ নদী



প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ;     আমাদের পৃথিবীর রহস্যময়। এর প্রতিটি কোনায় কোনায় রয়েছে হাজারও রহস্য।আর এই পৃথিবীর নানান বিস্ময় শুধু ঘোর লাগায় মানবজাতিকে। প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে এমন সব সৃষ্টির উন্মেষ করেছে যা দেখে শুধু বিমোহিত হতে হয়। পৃথিবীর বুকে এমন সব অপূর্ব সুন্দর স্থান আছে যা দেখে শুধু অবাকই হতে হয়। এসকল সৌন্দর্যের মধ্যে প্রকৃতির এক রঙিন সৃষ্টি হল কানো ক্রিসটেলস নদী।


এটা যেনতেন নদী নয়। এটাকে বলা হয়ে থাকে ‘স্বর্গ থেকে নেমে আসা নদী, তরল রংধনুর নদী ও পৃথিবীর সবচেয়ে রঙিন নদী।’ আসলেই রঙের মেলা এখানে। যেটাকে রঙের স্বর্গ বলা হয়। প্রকৃতির গুপ্তধনে সমৃদ্ধ এক নদী। যে নদীটি কেবল একটি কিংবা দুটি রঙে রঙিন নয়, পাঁচ-পাঁচটি দর্শনীয় রঙে রঙিন। জীব-বৈচিত্র্যে ভরপুর আর সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ। যেটাকে দেখলে মনে হবে সৃষ্টিকর্তা তার নিপুণ হাতে পৃথিবীর এক কোণে রঙ ঢেলে সাজিয়েছেন নদীটিকে।   নদীটি পাহাড় থেকে উত্পন্ন হয়ে ১০০ কিলোমিটার বয়ে গেছে।


বছরের বেশিরভাগ সময় নদীটি স্বাভাবিক। তখন আর দশটি পাহাড়ি নদীর মতো ধূসর পাথরের তলদেশ, শান্ত জল ও পরিষ্কার স্রোত থাকে। তবে শুষ্ক মৌসুম শেষে বর্ষা মৌসুমে (জুলাই-নভেম্বর) পাঁচটি রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। তখন নদীর তলদেশে লাল লতা-গুল্মের মতো তরল পদার্থ, যেটা নদীর স্রোতের সঙ্গে দুলতে থাকে।   তার সঙ্গে কিছু পাথরের গায়ে জমে থাকা সবুজ শ্যাওলার আবরণ, কালচে পাথরের রঙ, হলুদ বালু ও ঝিলমিল স্বচ্ছ জলের নীলাভ আভা (নীল রঙ), যা স্বর্গীয় সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে সেখানে।


যেখানে স্রোত বেশি সেখানে লাল রঙের গুল্ম জাতীয় পদার্থটি পাথরের গায়ে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।  প্রকৃতির অপার দানে সমৃদ্ধ এই নদীটি জীব-বৈচিত্র্যেও ভরপুর। এই নদীর পারিপার্শ্বিক সৌন্দর্য আপনাকে বিমোহিত করবে। এখানে রয়েছে ঝর্ণাধারা, সুইমিং পুলের মতো দেখতে বিরাট একটি জলাশয় ও নদীর তলদেশে গুহা। যা এই নদীটির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। আরো অবাক করা বিষয় হল এই নদীতে নেই মাছ কিংবা জলজ কোন প্রাণী।





পি/ব

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad