দেবশ্রী মজুমদার: দিনে মা কালীর খুঁটি পুজো ও রাতে মহরম। জমায়েতে হিন্দু মুসলিম উভয়েই। সম্প্রীতির এমন নজির রামপুরহাট ডাকবাংলা পাড়া প্লেয়ার্স আ্যাসোসিয়েশ্যান। এই কালী পূজা লোক মুখে আব্বাস কালী পূজা। দীর্ঘ ৫১ বছর থেকে চলে আসা এই পুজো হয়। আগের বছর বাহুবলী পুজোর বাজেট ছিল ৭৬ লক্ষ।
বছর ২০ আগে থেকেই এই পুজোর দায়িত্ব নেন আব্বাস হোসেন। আব্বাস তিন বারের পুরসভার কাউন্সিলার,ও একবারের ভাইস চেয়ারম্যান। যেদিন থেকে কালী পুজোর দায়িত্ব নিয়েছেন সেদিন থেকেই পুজো শহর ছাড়িয়ে মহকুমা, মহকুমা ছাড়িয়ে জেলার সেরা কালী পুজোর শিরোপা অর্জন করে চলেছে।
এবারেও চমক আব্বাস কালী পুজো তে। তবে এবার অপেক্ষাকৃত কম বাজটে পুজো হচ্ছে বলে জানান কর্ণধার আব্বাস হোসেন। এবারের থিম ইসকনের মন্দিরের আদলে তৈরি হবে প্যান্ডেল। শিল্পীরা মেদনীপুর থেকে চলে এসছেন ইতিমধ্যে ।মুর্তি তৈরি করবেন কুমোরটুলির শিল্পী, লাইট করবেন চন্দননগরের শিল্পী। আব্বাস কালী নামে এই পুজো পরিচিতি কি করে পেল? উত্তরে আব্বাস হোসেন বলেন, লোকের মুখ তো আঁটকাতে পারবো না। তবে এটুকু বলবো, এই খুঁটি পুজোতে যাদের দেখছেন। রাতে মহরমের শোভাযাত্রায় তাদের দেখবেন।
আমরা সবাই মিলে মিশে থাকি। সেকারনেই মহরমের দিনে পুজোর খুটি পুজো করা হল। দিনে খুটি পুজো করেই রাত্রে আমাদের সমস্ত সদস্য মিলে মহরমে অংশগ্রহণ করবো। আমাদের সদস্য হিন্দু মুসলিম সকলে আছেন। আমাদের এই ডাকবাংলা পাড়া প্লেয়ার্স আ্যাসোসিয়েশ্যান সর্বদা ধর্মীয় উৎসবের মূল সুর অর্থাৎ মিলন , ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment