সারমেয়, ছাগলের দখলে রোগীদের শয্যা মুরারই গ্রামীণ হাসপাতালেঃ ক্ষোভ মানুষের - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 26 September 2019

সারমেয়, ছাগলের দখলে রোগীদের শয্যা মুরারই গ্রামীণ হাসপাতালেঃ ক্ষোভ মানুষের




দেবশ্রী মজুমদারঃ     সারমেয়, ছাগলের দখলে রোগীদের শয্যা! না কোন পশু চিকিৎসালয় বলে ভুল ভাবনেন না! দ্বিপদ মনুষ্যদের হাসপাতাল। কিন্তু হলে কি হবে?  প্রসূতি বিভাগও ইনাদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র। ফলে সদ্যজাত শিশুদের নিয়ে আতঙ্কে থাকেন তাদের মা এবং আত্মীয়রা। হাসপাতালের বি এম ও এইচ বলাই চন্দ্র রায়ের দাবি, নিরাপত্তারক্ষী না থাকায় সারমেয়দের আটকানো যাচ্ছে না।


 তবে মাঝে মধ্যে সুইপাররা কুকুর ছাগল তাড়িয়ে দেয়। ৫০ শয্যার বীরভূমের মুরারই গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালে থাকেন না চিকিৎসক। কর্তব্যরত চিকিৎসক নিজের আবাসনে চলে যান বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে  দু’জন এম বি বি এস এবং দু’জন মেডিক্যাল অফিসার রয়েছেন। একজন রয়েছেন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক। ১৬ জন নার্স। প্রয়োজনের তুলনায় কম বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।


 কারন প্রতিদিন হাসপাতালে শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। দিন কয়েক থেকে হাসপাতালের নিচের তলায় সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। ফলে সমস্ত রোগীকে উপরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু দোতলার সিঁড়িতে গেট না থাকায় অবাধে চড়ে বেড়াচ্ছে কুকুর, ছাগল। পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাসরিমা ইয়াসমিন বলেন, “ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে ভর্তি হয়েছি। এসে থেকে দেখছি সব সময় শয্যার নিচে কুকুর বসে রয়েছে। খুব আতঙ্ক রয়েছি।


 এনিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আরও সজাগ হওয়া উচিত”। বিএমওএইচ বলাই চন্দ্র রায় বলেন, “হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষী নেই। তাছাড়া দোতলার সিঁড়িতে কোন গেট নেই। তাই কুকুর, ছাগল ঢুকে যায়। তবে সুইপাররা মাঝে মধ্যে তাদের তাড়িয়ে দেয়”। শুধু সারমেয় নয়, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে রোগীর আত্মীয়দের মধ্যে। বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালে কোন চিকিৎসক থাকেন না।


একজন নার্স থাকলেও তিনি ঘুমতে ব্যস্ত। মুরারইয়ের ভাদীশ্বরের বাসিন্দা দোলগোবিন্দ ভুঁইমালী বলেন, “আমার মেয়ে ১২ ঘণ্টা ধরে ভর্তি রয়েছে। কিন্তু কোন চিকিৎসক না থাকায় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি”।



পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad