রোববার বাংলাদেশের উপজেলার নয়াবাজার বিশ্বরোর্ড হাটে হিজড়া সংগঠনের অন্যতম নেতা বাসন্তী ও জোনাকী এ কথা বলেন। তারা বলেন, অতীতকাল থেকে হিজড়ারা অপরের সহযোগিতায় চলে আসছে। নানা প্রতিকূলতায় তারা কাজ করতে পারে না। এ কারণে অপরের সাহায্য ছাড়া তারা চলতে পারে না বলে হাটবাজারে তোলা তুলে পেট চালায়। তবে হিজড়াদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
তারা বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন হাটবাজার, দোকানপাট- এমনকি বাড়িতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হিজড়া বাহিনী। অক্ষমতার অজুহাতে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে বাসাবাড়ি ও ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সর্বত্র চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে তারা। অভিযোগে আরও জানা যায়, কোনো ঝামেলা ছাড়া অর্থ উপার্জনের জন্য অনেকে হিজড়া না হয়েও হিজড়া সেজে চাঁদাবাজি করছে।
বাজারের ১৫ হিজড়া বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে কৃষকের নিয়ে আসা রসুনের বস্তা থেকে নিজের হাতে রসুন তুলে নিচ্ছে। এতে কোনো কৃষক কম করে নিতে বললে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে দেখা যায়। এদিকে হিজড়াদের দাবি, তাদের বাঁচার অধিকার আছে। দেশে বা সমাজের কোথাও আমাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোড় দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন বলেন, অনেকে বিষয়টি আমাকে বলেছেন। হাট ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment