রোববার সকালে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আন্দোলনরত মালিক ও শ্রমিক নেতারা। তবে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে ঢাকার দিকে সিরাজগঞ্জের বাস চলাচলের বিষয়ে এখনও কোনো সুরাহা হয়নি বলে জানা গেছে। সিরাজগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ মালিক সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন জানান, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। মূলত তাদের আশ্বাস এবং চলমান বন্যায় জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করেই অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এ নিয়ে সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে স্থানীয় এমপি প্রফেসর ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না প্রশাসন ও পরিবহন নেতাদের নিয়ে বসেন। সিরাজগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ মালিক সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, ঢাকার বাসস্ট্যান্ডগুলোতে সিরাজগঞ্জের সব কাউন্টার বন্ধ করা এবং চন্দ্রার মোড় থেকে সিরাজগঞ্জে বাস ফিরিয়ে দেয়া ও শ্রমিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ মহাখালী মালিক সমিতির বিভিন্ন অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করেছি। সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী জানান, সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে সেবা লাইনের বেশ কয়েকটি বাস ঢুকিয়ে দেয় মহাখালী বাস টার্মিনাল মালিক সমিতি।
এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়। আনছার আলী বলেন, দ্বন্দ্ব নিরসনে আমরা তিন দিনের সময় দিয়েছিলাম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবিগুলো মানার আশ্বাস দেয়া হয়। গত ১৩ জুলাই থেকে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিরসনের দাবি জানিয়ে সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিন দিনের আলটিমেটাম দেয়। গত ১৭ জুলাই আলটিমেটামের দিন শেষ হওয়ায় ১৮ জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন পালিত হচ্ছে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment