আপনারা কি জানে বিশ্বে কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনই তার সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে কোনো শ্রেণির মানুষ অন্যের বিশ্বাস ভঙ্গ করে? গবেষণায় অন্যের সঙ্গে প্রতারণা থেকে বিরত থাকার কারণও বিশ্লেষণ করা হয়। যারা প্রতারণা বিরোধী তারা খুব দায়িত্বশীল, ন্যায়পরায়ণ এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ। অর্থাৎ যে বৈশিষ্ট্যগুলো তার ভেতর ইতিবাচক মনষ্কতা তৈরিতে সাহায্য করে। কিন্তু ব্যক্তিত্বের কোনো বৈশিষ্ট্য বেশি প্রতারণাপূর্ণ বলে মনে হয়? উত্তরটি হয়তো এমনটিই আসবে ‘যারা খোলা মনের মানুষ’। আর প্রথম দৃষ্টিতে তাদেরকেই খোলা মনের মানুষ মনে হতে পারে যারা নতুন ধারণাকে স্বাগত জানায়, নতুন ধারণাকে অন্যকে বিপথে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র মনে করে না।
সেক্স থেরাপিস্ট ড. টামি নেলসন বলছেন, বিষয়টি এমন নয় যে প্রতারকরাই সকালে ঘুম থেকে উঠে কৌশল খোঁজে তার সঙ্গীকে প্রতারণা করার। এমন অনেকেই আছে যারা খারাপ মানুষ নয়, অথচ অন্যকে প্রতারণা করার সিদ্ধান্তটি খুব সাধারণভাবেই নিয়ে নেয়। নারীরা বেশি বিশ্বস্ত পুরুষের চেয়ে। প্রতারণার সঙ্গে আরেকটি বিষয় বেশ শক্তভাবে যুক্ত। তা হলো সাংস্কৃতিক প্রসঙ্গ। গবেষকরা লিখেছেন, ‘সামগ্রিকভাবে আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি, নারীদের মধ্যে অন্যকে প্রতারণা করা প্রবণতা কম। তারা অন্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কিন্তু অতটা খোলা মনের নয়। তারা একজনের সঙ্গে সম্পর্কে সন্তুষ্ট।
পুরুষের মধ্যে প্রতারণা প্রবণতা বেশি। তারা একজনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারে সন্তুষ্ট নয়। আর নারীরা বিশ্বাস ভঙ্গ করলে তাদেরকে শাস্তি পেতে হয়। কিন্তু পুরুষের বেলা তা হয় খুব কম। বর্তমান সমাজে প্রতারণা এত বেশি বেড়ে যাওয়ার পেছনে আমরা সবাই কম-বেশি দায়ী। মূলত একটি প্রতারণা জন্ম দিচ্ছে আরো অনেক প্রতারণার। একটি ঘটনা যতই সাধারণ হোক আমাদের কারোরই উচিত নয় তা এড়িয়ে যাওয়া বা ক্ষমা করা। তাই, বিষয়টি নিয়ে সবাইকে ভাবার সুপারিশ করা হয়েছে গবেষণায়।
কে
No comments:
Post a Comment