ঈদকে উপলক্ষ করে খাবার - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 21 July 2019

ঈদকে উপলক্ষ করে খাবার



ঈদকে উপলক্ষ করে সবার বাড়িতে করা হয় নানা পদের মুখরোচক খাবারের আয়োজন। একমাসের খাদ্যাভাস বদলে এদিনই সবাই সকালে নাস্তার টেবিলে বসে পড়েন, মুখে দেন সেমাই, পায়েস, জর্দা, পোলাও কোর্মাসহ আরো কত টক ঝাল মিষ্টি। নিজের বাড়িতে তো বটেই, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধবদের বাড়িতে ঘুরে ঘুরে প্রায় সারাদিনই টুকিটাকি এটা সেটা খাওয়া হয়। তবে, এই আনন্দের মাঝেও আমাদের একটু নজর দেওয়া দরকার, আমরা কি খাচ্ছি, কতটুকু খাচ্ছি, বিভিন্ন খাবারের প্রতিক্রিয়া কি তার উপর। মূল সমস্যাটা নিঃসন্দেহে খাবারের পরিমাণে। রমজানে খাবারের সংযম হোক বা না হোক, ঈদের দিন ভূরিভোজ করা হবেই, যেন একমাসের খাবার একদিনেই উসুল করতে হবে। আবার বন্ধুদের বাড়িতে গেলে অনুরোধের চাপে কিছুতো গিলতেই হয়। আর এর চাপ পরে পেটের উপর। অনেকেই একসাথে প্রচুর পরিমাণ তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে হজম করতে পারেন না। ফলে পেট ফাঁপে, জ্বালা পোড়া করে, ব্যথা করে, বার বার পায়খানা হয়।




আবার পর্যাপ্ত জল পান না করার দরুন অনেকে কোষ্ঠ কাঠিন্যতে ভোগেন। যদিও সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে কোনো মানা নাই, কিন্তু পরিমাণ বজায় রাখাটা খুবই জরুরি। এক্ষেত্রে শুরু থেকেই পরিকল্পনা থাকা দরকার। দিনের মূল খাবার অর্থাৎ দুপুর ও রাতের খাবার কোথায় খাবেন ঠিক করে ফেলুন। অন্য বাসাগুলোয় যথাসম্ভব কম খান। জল, সরবত, ফলের রস ও অন্য তরল খাবার বেশি করে গ্রহণ করুন, এতে গুরুপাক খাবারের জন্য পেটে স্থান কমে যাবে। আমরা সবাই জানি, পুষ্টি চাহিদা বয়স, ওজন, উচ্চতা, লিঙ্গ এবং রোগ ভেদে পরিবর্তন হয়। আনন্দ ভাগাভাগির ক্ষেত্রে কোনো বাধা না থাকলেও খাবার গ্রহণ এর ব্যাপার এ প্রত্যেকের সতর্ক থাকা উচিৎ। ঈদের দিনে আমরা কম বেশি সবাই একটু নিয়মের বাইরে যেতে চায়, কিন্তু তাই বলে খেয়াল রাখতে হবে যেনো খুব বেশি অনিয়ম না হয়ে যায়।




ঈদের দিনের খাবার : আমাদের শারীরিক পুষ্টি চাহিদা অন্যান্য দিনের মত এই দিনও একি থাকবে। তবে দীর্ঘ এক মাস রোজা পালনের পর হঠাত করে বেশি খাওয়াটা সবার জন্য সহনীয় হয় না।তাই যার যার ডাইজেশন পাওয়ার অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ ভিন্ন হওয়া জরুরি। আর একটি জিনিস এবারের ঈদে সবাই কে মাথায় রাখতে হবে, সেটা হল ঈদ টা পরেছে গরমে। তাই খাবার গ্রহণের সময় এই জিনিস টিও মাথায় রাখতে হবে। ঈদের সকালের নাশতা : সকালের নাশতা খুব সাধারণ এবং সহজপাচ্য হতে হবে। প্লেইন রুটি, সঙ্গে সবজি অথবা পরিমিত পরিমাণে সেমাই বা পায়েস নেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে যাদের ওজন অতিরিক্ত বেশি এবং ডায়েট কন্ট্রোল এ আছেন তারা সেমাই বা পায়েস খেলে রুটি টা বাদ দিবেন। কারণ সেমাই বা পায়েস দুইটার মধ্যেই শর্করা আছে। সঙ্গে আধা ঘণ্টা পর যে কোনো একটি ফল বা ফলের সালাদ খেতে পারেন। যারা ডায়াবেটিক রোগী তারা অতিরিক্ত শর্করা গ্রহণেও সচেতন থাকবেন।




ঈদের দুপুরের খাবার : ঈদের দিন দুপুরে সময়মত খাবার খাওয়া হয়ে ওঠে না। ঘোরাঘুরি আর বন্ধু দের সঙ্গে আড্ডায় খাওয়ার কথা অনেকেই ভুলে যান বা দেড়ি করে ফেলেন। এই ব্যাপারে সবারই সচেতন হওয়া উচিৎ। যারা ডায়াবেটিক রোগী তাদেরকে অবশ্যই খাবার সময়মত খেতে হবে। আর অন্যদেরো ও সমান। কেনোনা খাবার সময় মত না খেলে অনেক রকমের শারীরিক সমস্যা হতে পারে, যেমন গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা, মাথা ব্যাথা, খাবার হজমে সমস্যা ইত্যাদি। এবার খাবারের মেনুতে আসি। দুপুরের খাবার আবার ঈদের দিন, সেক্ষেত্র তো একটু স্পেশাল হওয়ারই কথা। কিন্তু খুব বেশি অয়েলি খাবার খাওয়ার চিন্তা করা থেকে বিরত থাকায় বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ভাত, পোলাও, বিরিয়ানি যেটাই খাবেন আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সেটার প্রসেস কিভাবে করবেন। তারপর গ্রহণ করার সময় অবশ্যই আপনাকে পরিমাণটাও ঠিক করে নিতে হবে। মাংস খেলে যে কোনো এক ধরনের খেতে হবে। যেমন, মুরগি, গরু,খাসির মাংস যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হবে।




ঈদের রাতের খাবার : রাতের খাবার ও হালকা হলে পরের দিনের অনুভূতি ও ভালো হবে। সারাদিন ঘোরাঘুরি করার পর স্বাভাবিক ভাবেই সবাই ক্লান্ত হয়ে যায়। তাই রাতের খাবার এর মেনু এমন রাখতে হবে যেনো পেট ভরার সঙ্গে সঙ্গে ক্লান্তিভাবটাও চলে যায়। ভাত অথবা রুটি এর সঙ্গে যে কোনো একটা তরকারি নিতে হবে। সেটা হতে পারে মাংস অথবা ডালের সবজি।





কে

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad